আমাদের সম্পর্কে

একটি রিসার্চ টিম, যারা প্রতিটি কাজ খুঁটিয়ে দেখে

আমরা বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিই না, কিন্তু কাজটা করি যত্ন নিয়ে। প্রতিটি প্রজেক্ট আগে পড়ে দেখি, তারপর তুলে দিই ঠিক মানুষটির হাতে। আপনার কাছে ফেরত পাঠানোর আগে কাজটা যাচাই করি, যাতে ফলাফল নিয়ে আপনি জোর দিয়ে কথা বলতে পারেন।

ভিডিও দেখুন

ছোট একটা ভিডিওতে চিনে নিন Stat.BD-কে

কেন শুরু করলাম

রিসার্চের স্ট্যাটিস্টিক্স নিয়ে কাউকে যেন একা লড়তে না হয়

দেশজুড়ে শিক্ষার্থী আর ক্লিনিশিয়ানদের থিসিস, পেপার বা ডিগ্রির জন্য রিসার্চ করতে হয়। কিন্তু স্ট্যাটিস্টিক্স কঠিন হয়ে উঠলে প্রায়ই পাশে কেউ থাকে না। পাশে থাকার সেই মানুষটা হতেই ২০২৬ সালে আমরা Stat.BD শুরু করেছি। আমরা চেয়েছি রিসার্চ শেখাতে ঠিক সেভাবে, যেভাবে গবেষকেরা আসলে রিসার্চ করেন: বাস্তব স্টাডি ধরে, ডিজাইন থেকে শেষ টেবিল পর্যন্ত।

Md Muhtasim Munif Fahim-এর ছবি

Md Muhtasim Munif Fahim প্রতিষ্ঠাতা, Stat.BD

১,২০০+

শিক্ষার্থী ও লার্নার রিসার্চ আর ডেটা অ্যানালাইসিস শিখেছেন, কেউ 1:1-এ, কেউ গ্রুপে।

স্লাইড আর ক্লাস নোট দেখুন

রিসার্চ টিম

কাজ বুঝে সাপোর্ট, গতানুগতিক আউটসোর্সিং নয়

প্রতিটি প্রজেক্টের জন্য Stat.BD খুঁজে নেয় মানানসই স্পেশালিস্ট, হোক সেটা স্ট্যাটিস্টিক্স, সার্ভে, রিপোর্টিং বা সফটওয়্যারের কাজ। Stat.BD মানে কোনো ব্র্যান্ড নামের আড়ালে একজনের চুপচাপ সব কাজ করে যাওয়া নয়।

আমাদের বেশিরভাগই পড়েছি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ও উপাত্তবিজ্ঞান বিভাগে। তবে Stat.BD একটি স্বাধীন উদ্যোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অফিশিয়াল অংশ নয়। আমাদের নিয়ম সহজ: সমস্যার পরিধি ঠিক করা, ঠিক মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া, মেথড বুঝিয়ে বলা, আর বাড়িয়ে কিছু না বলা।

মেথড আর সফটওয়্যারে অভিজ্ঞতা মিললে তবেই কোনো স্পেশালিস্টকে কাজ দিই।

আমরা যা হাতে তুলে দিই, তা যেন আমাদের ব্যাখ্যা ছাড়াই বোঝা যায়।

সংবেদনশীল, জটিল বা পাবলিকেশনের জন্য তৈরি কাজ পাঠানোর আগে টিমের ভেতরে আরেকবার রিভিউ হয়।

প্রজেক্টে দরকার হলে আরও মানুষ যুক্ত করতে পারি। তবুও পাবলিকেশন, গ্রেড, অনুমোদন বা ফান্ডিংয়ের গ্যারান্টি দিই না।

মালিকানা ও সততা

আপনার কাজ আপনারই থাকবে

যে অ্যানালাইসিস আর রিপোর্টিংয়ের কথা আগে ঠিক হয়, আমরা সেটাই করি। রিসার্চ, ডেটা আর ফাইনাল ডকুমেন্ট থাকে আপনার নিজের।

লেখক থাকবেন আপনিই। আমরা টেবিল, কোড আর নোট দিই। আপনার হয়ে থিসিস বা পেপার লিখে দিই না, আপনার কথার জায়গায় নিজেদের কথাও বসাই না।

ডেটা আর রিপোর্ট আপনার। প্রতিষ্ঠানের জন্য আমরা যে ডেটা, ড্যাশবোর্ড আর রিপোর্ট তৈরি করি, সেগুলোর মালিক আপনি। অন্য কারও জন্য সেগুলো আর ব্যবহার করি না।

নিয়ম থাকলে বাইরের সাহায্যের কথা জানিয়ে দিন। আপনার বিশ্ববিদ্যালয়, জার্নাল বা ফান্ডিং প্রতিষ্ঠান যদি স্ট্যাটিস্টিক্যাল সাহায্যের কথা জানাতে বলে, সেটা জানানোর দায়িত্ব আপনার। চাইলে আমরা কী করেছি আর কী করিনি, তার একটা সারসংক্ষেপ লিখে দিই।

চাইলে রেপ্লিকেশনের ফাইলও পাবেন। কোড, গোছানো আউটপুট আর মেথড নিয়ে ছোট একটা নোট। এতে পরে নিজেই অ্যানালাইসিস আবার চালাতে বা ব্যাখ্যা করতে পারবেন।

রিভিউয়ের মান

রিভিউয়ে আমরা যা যাচাই করি

ডেলিভারির আগে প্রতিটি অ্যানালাইসিস প্রজেক্ট টিমের ভেতরে যাচাই করা হয়। যাচাইয়ে দেখা হয় চারটি বিষয়।

০১

মেথড বাছাই হয় ডেটা আর রিসার্চ কোয়েশ্চেন দেখে, সিগনিফিক্যান্ট ফলাফল পাওয়ার জন্য নয়।

০২

অ্যাজাম্পশন যাচাই করা হয়, লিমিটেশনও লেখা থাকে। p-hacking বা বেছে বেছে রিপোর্টিং চলে না।

০৩

আউটপুট এমন হয়, যা আমাদের ছাড়াই আপনি সুপারভাইজার, রিভিউয়ার বা ক্লায়েন্টকে বুঝিয়ে বলতে পারবেন।

০৪

জটিল বা পাবলিকেশনের জন্য তৈরি কাজে থাকেন আরেকজন রিভিউয়ার।

আমরা যেভাবে মানিয়ে নিই

আপনার নিয়ম মেনেই কাজ

শিক্ষার্থী, গবেষক বা প্রতিষ্ঠান, সবাইকেই কারও না কারও নিয়ম মেনে কাজ করতে হয়। আমরা সেই নিয়ম মাথায় রেখেই কাজের পরিকল্পনা করি।

শিক্ষার্থী

ডিপার্টমেন্টের ফরম্যাট, চ্যাপ্টারের ডেডলাইন আর সুপারভাইজারের ফিডব্যাক, সবই পরিকল্পনার অংশ। বাইরের সাপোর্ট থাকবে আপনার কাজকে মজবুত করতে, ডিপার্টমেন্টকে পাশ কাটাতে নয়।

গবেষক

জার্নালের রিপোর্টিং গাইডলাইন, এথিক্স অ্যাপ্রুভাল আর রিভিউয়ের রাউন্ড দেখেই ঠিক করি, কীভাবে অ্যানালাইসিস আর রিপোর্ট করব।

প্রতিষ্ঠান

ডোনারের টেমপ্লেট, রিপোর্টিং সাইকেল আর ডেটা কতটা সুরক্ষিত রাখতে হবে, এসব দেখেই ফরম্যাট আর টাইমলাইন ঠিক হয়।

টিমের কাজের ধরন

ঠিক মানুষের হাতে কাজ, পরিষ্কার আউটপুট, খোলাখুলি লিমিটেশন

মেথড দেখে দায়িত্ব

আগে টপিক, ডেটা, সফটওয়্যার আর ডেডলাইন দেখি। তারপর কাজটা দিই সেই স্পেশালিস্টকে, যার মেথড এর সঙ্গে মেলে।

আরেকজনের রিভিউ

আপনার কাছে কিছু ফেরত যাওয়ার আগে আরেকজন রিভিউয়ার মেথড, ফলাফলের ব্যাখ্যা আর লিমিটেশনগুলো যাচাই করেন।

স্পেশালিস্ট অনেক, মান একটাই

ক্লাস, কনসালটিং, মূল্যায়ন, ড্যাশবোর্ড বা বিশেষায়িত প্রজেক্ট, প্রতিটি কাজ যায় ঠিক মানুষের কাছে। আর সব কাজ যাচাই হয় একই মানদণ্ডে।